মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০

সপ্তমীতে বিহিত পূজা শেষে অঞ্জলি

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২০ শুক্রবার, ০৮:১০ পিএম

সপ্তমীতে বিহিত পূজা শেষে অঞ্জলি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে তপোবন আশ্রমে সপ্তমী পূজা

সপ্তমীতে যেন পূজার আসল রূপের দেখা মিললো। মন্ডপে মন্ডপে পূজারীদের ভক্তিপূর্ণ পদচারণা। এর মাধ্যমে অশুভ শক্তিকে শোধন। কিন্তু বৃষ্টিতে পূজার্থীদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। বিকালের পর থেকে বৃষ্টি কমলে মন্ডপে বাড়ে ভিড়।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনে তপোবন আশ্রম পূজামন্ডপে বিকালের পর থেকে দেখা গেছে পূজার্থীদের ভিড়। বিশুদ্ধ পঞ্জিকামতে সকাল ৬টায় শুরু হয় সপ্তমী পূজা। সকাল ১০টার আগেই শেষ হয় এই পূজা। সন্ধ্যায় ছিল পূজা ও আরতি।

চন্দ্রিমা সার্জনীন পূজা উদযাপন পরিষদের কোষাধ্যক্ষ কৃঞ্চ চন্দ্র দাশ সারাবেলাকে জানান, ঈশ্বর সব কিছুর মাঝে রয়েছেন। প্রকৃতির বিভিন্ন সৃষ্টির মধ্য নয়টি গাছের ফুল, ফল, পাতা দিয়ে সব অশুদ্ধকে শোধন করে শুদ্ধ করে মাকে পূজা করা হবে। সপ্তমীতে পূজার আসল রূপের দেখা মিললো। সপ্তমী তিথিতে দেবী দুর্গাকে নিখিল বিশ্ব সৃষ্টির জ্ঞানের অধিকারী হিসেবে অর্থাৎ সরস্বতী হিসেবে পূজা করা হয়।

সপ্তমী পূজার নির্ধারিত মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে সপ্তমী পূজা করা হয়। দুর্গা দেবীর ধ্যান মন্ত্রে ধ্যান করা হয়। দেবী দুর্গাসহ প্রতিমা সমূহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা,চক্ষু দান প্রভৃতি করা হয়। সপ্তমী পূজায় নবপত্রিকা প্রতিষ্ঠা অন্যতম। এই নব পত্রিকা দ্বারা নয় জন দেব দেবীকে বুঝায়। যেমন- ১.কলা গাছ-দেবী ব্রাম্মণী, ২. কালা কচু-দেবী কালি, ৩. হলুদ গাছ- দেবী দূর্গা, ৪. জয়ন্তী লতা-দেবতা কার্তিক, ৫. বেল গাছ-ভগবান শিব, ৬. ডালিম গাছ-দেবতা রক্তদন্তিকা, ৭. মানকচু-দেবী চামুন্ডা, ৮. ধান গাছ-দেবী লক্ষ্মী, ৯. অশোক গাছ-দেবতা শোকরাহিতা।

এরপর কল্পনার মধ্য দিয়ে মাকে (দেবী) মনের আসনে বসানো হয়। বিধান অনুসারে অনুষ্ঠিত হয় বিহিত পূজা।

শনিবার ভোরে হবে মহাঅষ্টমীর পূজা। সাড়ে নয়টার মধ্যে সম্পন্ন হবে অষ্টমীর পুষ্প অঞ্জলি ও প্রার্থনা।