বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯

আনোয়ারায় শেভরণে এক বছরে সেবা পেল দেড় লাখ মানুষ

প্রতিনিধি, আনোয়ারা , চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০১৯ শনিবার, ০৩:০০ পিএম

আনোয়ারায় শেভরণে এক বছরে সেবা পেল দেড় লাখ মানুষ

২০১৮ সালের ১ নভেম্বর। ভূমিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনি আমিন সেন্টারে যাত্রা শুরু করে শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি (প্রা.) লিমিটেড আনোয়ারা শাখা। এক ছাদের নীচে সব ধরণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু হওয়া এই রোগ নিরূপণী কেন্দ্র শুক্রবার উদযাপন করল প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এক বছরে তারা কতটুকু সফল, প্রতিশ্রুতির কতটুকু রাখতে পেরেছেন, ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী  এ নিয়ে শুক্রবার সারাবেলা ১০ মিনিট আয়োজনে মুখোমুখি হন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর মোশাররফ হোসেন। 

তিনি বলেন, সর্বোত্তম সেবা, নামী চিকিৎসকদের পরামর্শ,  নির্ভুল রোগ নিরূপণ,  আধুনিকতা, সাশ্রয় এই পাঁচটি বিষয় আমরা এক ছাদের নীচে নিয়ে আসতে পেরেছি। আমাদের সব রোগ নিরূপনী সরঞ্জাম সর্বাধুনিক প্রযুক্তির। চট্টগ্রাম শহরে শেভরণ যে ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, আমরাও একই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষকে সেবা দিচ্ছি। তাই আমরা সফল দাবি করতেই পারি। কেউ কেউ সবসময় এগিয়ে থাকে। রোগ নিরূপণ ও চিকিৎসা সেবায় শুধু আনোয়ারাতে নয় পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামে শেভরণ আনোয়ারা শাখার অবস্থান এক নম্বরে।

তরুণ এই উদ্যোক্তা জানান, এক বছরে ল্যাব ও ডাক্তারি পরামর্শ মিলিয়ে দেড়লাখের বেশি রোগী শেভরণ আনোয়ারা শাখা থেকে সেবা নিয়েছে। যা একটি মাইলফলক। বিশ্বমানের প্রযুক্তি আর চট্টগ্রাম শহরের সেরা সব চিকিৎসক শেভরণ আনোয়ারা শাখায় চিকিৎসা দিচ্ছেন। তাই সাধারণ মানুষের শেভরণের উপর আস্থা রাখতে পারছেন।

সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালবাসার আরো প্রতিদান দিতে চান জানিয়ে মীর মোশাররফ বলেন, আনোয়ারায় শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ চক্ষু হাসপাতাল ও ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করতে যাচ্ছে শেভরণ। এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবায় আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে আনোয়ারা। এজন্য তিনি ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, শেভরণের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ.এ. গোলাম মর্তুজা হারুন-সহ আনোয়ারা ও এই অঞ্চলের মানুষের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। সেই সঙ্গে শেভরণ আনোয়ারা শাখার ভাইস চেয়ারম্যান এ এ জে তাসাদ্দেক মর্তুজা, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কাজী শামীম আল মামুন, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ করিম, মীর নাজের হোসাইন, ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেনের সহযোগিতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৪শ‘ এতিম ও দু:স্থদের শিশুদের জন্য শুক্রবার দুপুরের খাবারের আয়োজন ও অনাড়ম্বর এক আয়োজনে কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্টাবার্ষিকী উদযাপন করা হয় বলে জানান তিনি। এ সময় সাংবাদিক এম আনোয়ারুল হক, এম নুরুল ইসলাম, মোরশেদ হোসেন, জাহেদুল হক, সুমন শাহ, ডিএইচ মনসুর, ইমরান হোসেন, কোরবান আলী টিটু, রেজাউল করিম সাজ্জাদ, মোহাম্মদ সোহেল, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক মঈনুদ্দীন চৌধুরী হালিম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।