বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯

ওড়িশ্যায় আঘাত হানছে ফণী

প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রকাশিত: ০৩ মে ২০১৯ শুক্রবার, ০৭:২৫ এএম

ওড়িশ্যায় আঘাত হানছে ফণী

পূর্বাভাসের থেকে ৫-৬ ঘণ্টা আগেই স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে ফণীর ছোবল। গত তিন দিন উপগ্রহ চিত্রে গতিবিধির ওপর নজর রাখার পরে হাওয়া অফিস জানিয়েছিল, শুক্রবার বেলা তিনটের সময় বঙ্গোপসাগর থেকে স্থলভূমিতে ঢুকবে সাইক্লোন ফণী। এখন সেই পূর্বাভাস বদলে বলা হচ্ছে শুক্রবার দুপুরের আগেই সুপার সাইক্লোনটি আছড়ে পড়বে ওড়িশ্যার পুরী সংলগ্ন গোপালপুরে। এরপর সেটি  পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে দক্ষিণবঙ্গের ওপর দিয়ে  বাংলাদেশের দিকে চলে যেতে পারে।

তবে ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানছে না। ওড়িশ্যা, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার কারণে ঝড়ের তীব্রতা কম থাকতে পারে। তবে অমাবশ্যা ও জোয়ারের কারণে জলোচ্ছ্বাসের আশংকা করা হচ্ছে।

দিল্লির মৌসম ভবনের সাইক্লোন সতর্কতা কেন্দ্রের প্রধান মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানাচ্ছেন, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে কোনও এক সময়ে ফণী আছড়ে পড়বে । জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার-এর হিসেব অনুযায়ী গত ২০ বছরে এই অঞ্চলের সব চেয়ে ভয়ঙ্কর সামুদ্রিক ঝড়ে পরিণত হয়েছে ফণী।

ফণীর প্রভাবে বরগুণায় ভোররাতে হঠাৎ শুরু হয়েছে বৃষ্টি। একই সাথে বইছে ঠান্ডা বাতাস।  শুক্রবার ভোর সাড়ে ৩ টার দিকে বৃষ্টি ও ঠান্ডা বাতাস শুরু হওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে বরগুনার নদী পাড়ের মানুষ।

সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ফণীর লক্ষণ শুরুর সেই বিপদ সংকেত ঘোষণার পর থেকে বরগুনা সদর সহ ৬ উপজেলার মানুষ নিজেদের জানমাল রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন।

বরগুনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) কবীর মাহমুদ বলছেন, মানুষের জীবন ও জানমাল রক্ষা করতে উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বরগুনায় ৩৩৫টি সাইক্লোন শেল্টার খুলে রাখা হয়েছে।