শনিবার, ২৫ মে ২০১৯

যেভাবে মসজিদে ঢুকেন সেই হামলাকারী

সারাবেলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০১৯ শুক্রবার, ১০:২৬ পিএম

যেভাবে মসজিদে ঢুকেন সেই হামলাকারী

মসজিদে হামলার ঘটনার পর থেকেই হামলাকারী ব্রেনটন টেরান্টকে নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌতুহল। ২৮ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয় নাগরিককে চরম ডানপন্থি সন্ত্রাসী বলে অভিহিত করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, স্কট মরিসন। তবে এর আগে তিনি নিরাপত্তা লংঘনের মতো কোন ঘটনা ঘটাননি বলে জানান নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। হামলার আগে, নিজের বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাবের কথা নিজেই সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করেন ব্রেনটন।

গাড়ি ভর্তি বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে, সেনা পোশাকে সেজে রীতিমতো গান গাইতে গাইতে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন ২৮ বছর বয়সী ব্রেনটন টেরান্ট। মাথায় বাঁধা মোবাইলে লাইভ স্ট্রিমিং করেন পুরো ঘটনা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় তাকে বারবার থামতে বলা হলেও তাতে ভ্রুক্ষেপ করেননি ব্রেনটন। স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র হাতে পুরুষদের পাশাপাশি হামলা করেন নারী ও শিশুদের ওপরেও।

এখানেই শেষ নয়, হামলার আগে ব্রেন্টন নিজের অভিবাসনবিরোধী আর উগ্রডানপন্থী মতাদর্শের বিষয়ে ৭৪ পৃষ্ঠার একটি ম্যানিফেস্টোও প্রকাশ করেন অনলাইনে।

ব্রেন্টনকে উগ্রডানপন্থী সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে, সে অস্ট্রেলিয় নাগরিক বলে নিশ্চিত করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। নিউ সাউথ ওয়েলসে তার আত্মীয়স্বজন রয়েছে বলেও জানা গেছে।

স্কট মরিসন বলেন, ঘটনায় আটক একজন জন্মসূত্রে অস্ট্রেলিয় নাগরিক, একজন উগ্র ডানপন্থী, সন্ত্রাসী। তাই অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষ সরাসরিভাবে তদন্তে যুক্ত থাকবে।

তবে এর আগে নিরাপত্তা লংঘনের কোন ঘটনা তিনি ঘটাননি বলে জানান, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। ব্রেন্টনের মতাদর্শ বিশ্ববাসী প্রত্যাখান করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হামলাকারীরা উগ্রপন্থায় বিশ্বাসী, নিউজিল্যান্ডে এ মতাদর্শের কোনো স্থান নেই, সত্যি কথা বলতে কি পুরো বিশ্বেই এর কোন স্থান নেই।

এরিমধ্যে, বিদ্বেষমূলক পোস্টের কারণ ব্রেনটনের অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছে ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রাম কর্তৃপক্ষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রেনটনের করা ভিডিওটি না প্রচার করতে জনগণকে অনুরোধ জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ।