মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের নিরাপত্তায় নৌবাহিনী

প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মঙ্গলবার, ০৯:২৪ এএম

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের নিরাপত্তায় নৌবাহিনী


চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন টানেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করা হবে। প্রকল্পের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পেয়েছে নৌবাহিনী। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এছাড়া টানেলটি ২০২২ সালে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

সোমবার ঢাকার সেতু ভবনে কর্ণফুলী টানেলের নিরাপত্তা বিষয়ে নৌবাহিনীর সঙ্গে সেতু কর্তৃপক্ষের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন টানেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করা হবে। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি টিবিএম মেশিন দিয়ে খনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  

কোতোয়ালী আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপ মন্ত্রী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপমহাদেশের প্রথম এই টানেলটি বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণের প্রস্তাব দিলে বিষয়টি আলোচনায় আসে।

ওবায়দুল কাদের জানান, কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পটি ৯ হাজার ৮৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহায়তা ৩ হাজার ৯৬৭ কোটি ২১ লাখ টাকা ও চীন সরকারের অর্থ সহায়তা ৫ হাজার ৯১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সড়ক মন্ত্রী আরো বলেন, এ প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৩২ ভাগ হয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্প কাজ শেষ করতে পারবো।

মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সাথে যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে চট্টগ্রাম শহরের যানজটসহ ভ্রমণ ও সময় দুটোই উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। অনুষ্ঠানে প্রায় ৬৫ কোটি টাকার চুক্তিপত্রে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষে নেভাল অপারেশনের পরিচালক এবং সেফটি এন্ড সিকিউরিটি সুপারভিশন কনসালটেন্টের প্রধান সমন্বয়ক কমোডর মাহমুদুল মালেক স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান আওরঙ্গজেব চৌধুরী বলেন, ‘প্রকল্প এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নৌবাহিনী প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রকল্প এলাকায় একটি কার্যালয়ও স্থাপন করবে।