মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

কর্ণফুলীর ৫ খালের মুখ দখলমুক্ত

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার, ১১:৩১ পিএম

কর্ণফুলীর ৫ খালের মুখ দখলমুক্ত

কর্ণফুলী নদীর শহর প্রান্তে সদরঘাট থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত অংশটি এখন অনেকটাই পরিষ্কার। ২৩০টি অবৈধ স্থাপনায় একরকম ঢেকে গিয়েছিল নদী তীরের প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকা । গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া সাড়াশি অভিযানে ৫দিনে প্রায় ১০ একর ভূমি উদ্ধার করা হয়। দখলমুক্ত করা হয়েছে ৫ টি খালের মুখ

ভূমিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ কর্ণফুলী তীর অবৈধ দখলমুক্ত করার বিষয়ে দৃঢ প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন। জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের কঠোর অবস্থানে মাত্র ৫দিনে দখলমুক্ত হয় প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা।

ইতিপূর্বে কয়েক দফায় এই অভিযানের  উদ্যোগ নেওয়া হলেও অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের আশ্বাসে সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

টানা পাঁচ দিনের এ উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিলুর রহমান। তাকে সহায়তা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিলুর রহমান টানা পাঁচ দিনের এ অভিযানে ২৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করে বেদখলে থাকা প্রায় ১০ একর ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও পাঁচটি খালের মুখ দখলমুক্ত করা হয়েছে।

ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, উচ্ছেদ অভিযানে ৫ টি খালের মুখ দখলমুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বর্ষায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে যাবে। চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের ‘দুঃখ’ জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।

আদালতের নির্দেশের পর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর কর্ণফুলীর দুই তীরে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু করে। নগরের নেভাল অ্যাকাডেমি সংলগ্ন নদীর মোহনা থেকে মোহরা এলাকা পর্যন্ত অংশে ২০১৫ সালে জরিপের কাজ শেষ করা হয়। জরিপে নদীর দুই তীরে প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসন।