বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯

তামিমের কৃতিত্বে কুমিল্লা চ্যাম্পিয়ন

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার, ১০:৪৮ পিএম

তামিমের কৃতিত্বে কুমিল্লা চ্যাম্পিয়ন সেঞ্চুরির পর তামিমের উল্লাস

এই না হলে ফাইনাল! মিরপুরের শেরে বাংলা যেন বিনোদনের পসরা সাজিয়ে বসেছিল। মাঠভরা দর্শক হলো, রান হলো, রূদ্ধশ্বাস লড়াইও হলো। যে লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসল ইমরুল কায়েসের দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

প্রথম বিপিএল ফাইনাল, প্রথম শিরোপার সুবাস। উপলক্ষ্য এলো, জ্বলে উঠলেন তামিম ইকবাল। ব্যাট হাতে হয়ে উঠলেন অপ্রতিরোধ্য। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে উড়িয়ে দিলেন ঢাকার বোলিং। চোখধাঁধানো সব শটে উপহার দিলেন অসাধারণ এক সেঞ্চুরি। দারুণ সব কীর্তিতে গাঁথলেন রেকর্ডের মালা। অতিমানবীয় ইনিংসে কুমিল্লাকে উপহার দিলেন শিরোপা।

উত্তেজনাপূর্ণ এক ফাইনালে ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১৭ রানে হারিয়ে বিপিএলে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এর আগে ২০১৫ সালে বিপিএলের তৃতীয় আসরের শিরোপা জিতেছিল দলটি।ষষ্ঠ বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভিক্টোরিয়ান্স।

মিরপুরে শুক্রবার ২০ ওভারে কুমিল্লা তোলে ৩ উইকেটে ১৯৯ রান। তামিমের একার ব্যাট থেকেই এসেছে ৬১ বলে অপরাজিত ১৪১! রান তাড়ায় ঢাকা এক পর্যায়ে চ্যালেঞ্জ জানালেও পরে পথ হারিয়ে থমকে গেছে ১৮২ রানে।

ইমরুল কায়েসের কুমিল্লার বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকার দলপতি সাকিব আল হাসান। এর আগে মিরপুরে খেলা সবশেষ পাঁচ ম্যাচের সবকটিতেই জিতেছে আগে ফিল্ডিং করা দল। ৮ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয় ম্যাচটি। নির্ধারিত ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লা তোলে ১৯৯ রান।

২০০ রানের টার্গেটে ওপেনিংয়ে নামেন ঢাকার ক্যারিবীয়ান তারকা সুনীল নারাইন এবং লঙ্কান তারকা উপুল থারাঙ্গা। প্রথম ওভারেই রানআউট হয়ে ফেরেন নারাইন। বোলার সাইফউদ্দিন দারুণ এক থ্রোতে ফেরান নারাইনকে।

এরপর ব্যাটে উপুল থারাঙ্গা ও রনি তালুকদার মিলে ব্যাটে ঝড় তোলেন। তবে দলীয় ১০২ রানে উইকেট বিলিয়ে দেন থারাঙ্গা। পেরেরার করা নবম ওভারের শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ৪৮ রানে ফেরেন তিনি। ২৭ বলে ৪৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ইনিংসটি খেলেন থারাঙ্গা। এরপর ব্যাটিংয়ে আসেন অধিনায়ক সাকিব। তবে দলীয় ১২০ রানে তাকে ফেরান ওয়াহাব রিয়াজ। তার করা ১২তম ওভারের প্রথম বলে ব্যক্তিগত ৩ রানে ফেরেন সাকিব।

এরপর ১ রানের ব্যবধানে রানআউট হয়ে ফেরেন রনি তালুকদার। ফেরার আগে ৩৮ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এই ব্যাটসম্যান। এরপর দলীয় ১৩২ রানে আন্দ্রে রাসেলকে ৪ রানে ফেরান থিসারা পেরেরা। তার করা ১৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওয়াহাব রিয়াজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রাসেল। দলীয় ১৪১ রানের মাথায় কাইরন পোলার্ড ১৫ বলে ১৩ রান করে সাজঘরের পথে হাঁটেন। কোনো রান না করেই বিদায় নেন শুভাগত হোম। ১৯তম ওভারে ১৫ বলে দুই ছক্কায় ১৮ রান করে বিদায় নেন নুরুল হাসান সোহান।