রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯

সেই ‘এক’ ম্যাচ জিতল চট্টগ্রাম

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ বুধবার, ১১:১৩ পিএম

সেই ‘এক’ ম্যাচ জিতল চট্টগ্রাম

ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শুরুর পর প্রথম দুই আসরেই গ্রুপ পর্বে রীতিমতো উড়েছে মুশফিকুর রহীমের নেতৃত্বাধীন দুরন্ত রাজশাহী এবং সিলেট রয়্যালস। কিন্তু এরপর ছন্দপতন। পরের তিন আসরে লেজেগোবরে অবস্থা হয় মুশফিকের নেতৃত্বে খেলতে নামা সিলেট সিক্সার্স, বরিশাল বুলস এবং রাজশাহী কিংসের।

অবশেষে তিন আসর এবং ছয় বছর পরে আবারো গ্রুপ পর্বে ঘুরে দাঁড়ালেন মুশফিক। নিজ দল চিটাগং ভাইকিংসকে নিয়ে চলে গেলেন টুর্নামেন্টের প্লে-অফে। আজ (বুধবার) ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ১১ রানের জয়ে নিশ্চিত হয়েছে চিটাগংয়ের প্লে-অফের টিকিট। সেজন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ১১ ম্যাচ পর্যন্ত।

টেবিলের শীর্ষে উঠে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম গিয়েছিল চিটাগং ভাইকিংস। সাত ম্যাচের ছয়টিতেই জয় নিয়ে পয়েন্ট ছিল ১২। এক ম্যাচ জিতলেই প্লে-অফ নিশ্চিত। কিন্তু ঘরের মাঠে সেই ‘এক’ ম্যাচই জেতা হচ্ছিল না মুশফিকুর রহীমের দলটির। অবশেষে বুধবার চট্টগ্রাম পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচটি জিতে তৃতীয় দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করল তারা।

বুধবার ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১১ রানে হারিয়েছে চিটাগং। এদিন প্রথমে ব্যাট করে ক্যামেরন ডেলপোর্টের ব্যাট ভর দিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৪ রান করে চিটাগং। মুশফিক ৪৩ ও মোহাম্মদ শেহজাদ ২১ রান করেন। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৬৩ রান পর্যন্ত করতে পারে ঢাকা।

এই হারে প্লে-অফ কিছুটা কঠিন হয়ে গেল ঢাকার জন্য। পরবর্তী দুইটি ম্যাচেই এখন জিততে হবে সাকিব আল হাসানের দলটিকে।

এদিন চিটাগংয়ের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি ঢাকা। ২৩ রানের মধ্যেই হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। এরপর নুরুল হাসানকে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়ে সেই বিপর্যয় সামাল দেন অধিনায়ক সাকিব। কিন্তু ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আউট হয়ে যান নুরুল হাসান। তার ২৩ বলের ইনিংসটিতে ছিল ২টি করে ছক্কা ও চারের মার।

কিয়েরন পোলার্ড (০) নেমেই রান আউটের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন। দলীয় ৭৩ রানে ৫ উইকেট হারিয় তখন ধুঁকছিল ঢাকা। এই অবস্থায় আন্দ্রে রাসেলের সাথে আরেকটি জুটি গড়েন সাকিব। কিন্তু তাদের জুটি থেকে ৬৬ রান আসার পর আউট হয়ে যান রাসেল (২৩ বলে ৩৯)। আর তখনই জয়ের আশা ক্ষীণ হয়ে আসে ঢাকার। দলীয় ১৪৮ রানে আউট হন শুভাগত হোম (৫)।

কিন্তু তখনো শেষ আশা হিসেবে ক্রিজে ছিলেন সাকিব। তার ব্যাটের দিকে তাকিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ডয়নামাইটস শিবির। কিন্তু সাকিব ব্যক্তিগত ৫৩ রানে আউট হয়ে গেল সেই স্বপ্নও শেষ হয়ে যায়। দলীয় রান তখন ১৫৪। এরপর আর বেশিদূর এগুতে পারেনি তার দল। কোন জয় ছাড়াই চট্টগ্রাম পর্ব শেষ করল তারা।

চিটাগংয়ের হয়ে ২৫ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন আবু জায়েদ। দুই সাকিবের উইকেটসহ নিয়েছেন দাসুন শানাকা।