শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বাড়তে পারে মোবাইল সেটের দাম

সারাবেলা প্রতিবেদক :

প্রকাশিত: ০১ জুন ২০১৭ বৃহস্পতিবার, ১১:০৪ পিএম

বাড়তে পারে মোবাইল সেটের দাম

 মোবাইল হ্যান্ডসেটের আমদানি শুল্ক দ্বিগুণ করা হচ্ছে। ফলে হ্যান্ডসেটের দাম বাড়ছে।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে সেলুলার টেলিফোন সেটের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যা আগে ছিল ৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টায় জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজের উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বাংলাদেশ মোবাইল ফোন আমদানিকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ) এর সাধারণ সম্পাদক রেজোয়ানুল হক জানান, ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক বসলে হ্যান্ডসেটের দাম বাড়বে ৩০ শতাংশ। দেশের স্মার্টফোনের বাজারের গ্রোথে এটি খারাপ প্রভাব ফেলবে।

তিনি জানান,  দেশে বৈধ পথে ৩ কোটির বেশি মোবাইল ফোন আমদানি হয়ে থাকে। যার বাজার মূল্য ৮ হাজার কোটি টাকা।দেশে ৮০টির মত কোম্পানি হ্যান্ডসেট আমদানির সঙ্গে জড়িত।

এদিকে মডেম, রাউটারসহ নেটওয়ার্কিং ডিভাইসের দাম বাড়ছে। তবে কমতে পারে স্পিকারের দাম। দাম বাড়ার মধ্যে উল্লেখিত দুটি ডিভাইস ছাড়াও রয়েছে ইথারনেট ইন্টারফেস কার্ড, নেটওয়ার্ক সুইচ হাব।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে এগুলোর আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। যা আগে ছিল ৫ শতাংশ।

অন্যদিকে কম্পিউটার যন্ত্রাংশ হিসেবে বিবেচিত স্পিকারের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে১ শতাংশে আনার প্রস্তাব করা হয়।

বৃহস্পতিবার  জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে এ প্রস্তাব করা হয়। বাজেট উত্থাপনকরেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে স্থানীয়ভাবে কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং ট্যাব তৈরিতে প্রয়োজনীয় সব রকমের যন্ত্রাংশ এবং অন্যান্য উপকরণ আমদানিতে এই ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়।
এর আগে এসব পণ্যের অধিকাংশ যন্ত্রাংশে যেখানে ২৫ শতাংশ, কোনোটিতে ১৫, কোনটায় ১০ ও ৫ শতাংশ ছিল তা কমিয়ে ১ শতাংশের কথা বলা হয়েছে।

এক্ষেত্রে অবশ্য খাতটিতে ব্যবহার্য তৈরি পণ্য ও সফটওয়্যারের আমদানি শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে বৃদ্ধি করার কথাও বলা হয়েছে।

কালার পেইন্টস ও ভার্নিস, সিলিকা জেল, থার্মাল ইরেসপনসিভ গুল, থার্মাল পেস্ট, অ্যাডহেসিভ ধরনের ফোম, টেপ মাইলার, কেসের জন্য স্পঞ্জ, কম্পিউটার মনিটর, ল্যাপটপ এবং ট্যাবের জন্য কিবোর্ড মাউসের এ-কাভার, বি-কাভার, সি-কাভার, ডি-কাভার; ব্যাক কাভার, সাইড কাভার-লেফট, রাইট-কাভার;স্ট্যান্ড রাবার, থার্মাল প্যাড, কনডাক্টিভ ফেবরিক, গ্লাস ফাইবার, মনিটরের জন্য গ্লাস কাভার শিট, স্ক্রিউ, ওয়াশার, প্রটেক্টর স্টিল, ব্যাটারি তিন ভোল্টের, স্পিকারসহ আরও কয়েকটি যন্ত্রাংশে ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশে আনার প্রস্তাব করা হয়।
এছাড়াও প্রসেসর থার্মাল পেস্ট, ট্রান্সমিটার, ক্যাপাসিটর, রেজিস্টার, পিসিবি, সার্কিট ব্রেকার, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, হিট সিংক, এলসিএম প্রটেকক্টিভ লেন্স, ক্যামেরা লেন্স, ফ্ল্যাশ লাইটে ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে।

আর প্লাস্টিক রাবার আডিটিভস, এবিএস, ইন্টারনাল হার্ডড্রাইভ, এসএসডি, র্যাম, ইএমএমসি কিবোর্ড বটম কেস, ফ্যান মডিউলসহ আরও বেশ কয়েকটি যন্ত্রাংশে ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে এক শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।