শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

চীনে যাতায়াত সাময়িক বন্ধের সম্ভাবনা

প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২০ রবিবার, ১১:৩৬ পিএম

চীনে যাতায়াত সাময়িক বন্ধের সম্ভাবনা

আগামী ২৮ জানুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ-চীন যাতায়াতে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে চীনে ও চীন থেকে বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সাময়িকভাবে স্থগিত করার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনা ভাইরাসে নিয়ে বাংলাদেশের জরুরি সতর্কতা গ্রহণ করা প্রসঙ্গে আয়োজিত এক জরুরি সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা জানান।

করোনা ভাইরাস নিয়ে দেশবাসীকে আতংকিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু চীন-বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেক গভীর। দেশের বহুসংখ্যক মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পড়ালেখার কারণে চীনে বসবাস করছে। এই ভাইরাস যেকোনো উপায়ে দেশে চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এটি প্রতিরোধে করণীয় সম্ভাব্য সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

সভায় সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের করণীয় প্রসঙ্গে খোঁজ নেন জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তাকে অবগত করেন, দেশের প্রতিটি বিমান বন্দর, নৌ ও সমূহ বন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীরসহ অনেকে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ২৮ জানুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি সভা করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে চীনে ও চীন থেকে বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।’

প্রতিটি বিমানবন্দর, নৌবন্দর, স্থলবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে মন্ত্রীকে জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তির প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ ধরা নাও পড়তে পারে। চীনে অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। তারা সবাই এখন দেশে ফিরতে গিয়ে যদি এই ভাইরাসের জীবাণু বহন করে নিয়ে আসে, তাহলে এটা আমাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।