রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯

রোহিঙ্গারা যেন চাটগাঁইয়া না ভাবেন

আল রাহমান

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শুক্রবার, ১১:৫৫ এএম

রোহিঙ্গারা যেন চাটগাঁইয়া না ভাবেন

রোহিঙ্গারা আমাদের অতিথি। তাদের নিরাপত্তা, খাবার, পানি, ওষুধ, অস্থায়ীভাবে মাথাগোঁজার ঠাঁই দেওয়াটা আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু সাধ আছে সাধ্য নেই। তাই বিশ্ববাসীকে পাশে চাই।

ইতিমধ্যে অনেক দেশ ত্রাণ পাঠিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি, সংগঠনও ত্রাণ দিচ্ছে। সুষ্ঠু বণ্টনের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছেই ত্রাণ বুঝিয়ে দেওয়া উচিত। নয়তো রাস্তার পাশে আশ্রিতরা বার বার পাবে। গহিনের নারী-শিশু-বৃদ্ধারা বাদ যাবে। বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। ত্রাণ বিতরণে শৃঙ্খলা আনতে পারলে রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনেও সফল হবো আমরা।

একই সঙ্গে অতিথিরা (রোহিঙ্গা) যেন নিয়ম শৃঙ্খলা মানেন। বিদেশি নাগরিক হিসেবে যেন থাকেন। চট্টগ্রামের ভাষার সঙ্গে তাদের ভাষার মিল থাকলেও যেন নিজেকে চাটগাঁয়া মনে না করেন। সরকারের বেঁধে দেওয়া সীমার বাইরে বিশেষ করে টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার ক্যাম্পের বাইরে যাতে না যান। ইউপি চেয়ারম্যান, পৌরসভা, সিটি করপোরেশনের নাগরিকত্ব সনদ, জন্ম নিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোরটের ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি আরোপ করতে হবে।

যদি কোনো জনপ্রতিনিধি বা সরকারি কর্মকর্তা  রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানাতে চায় তবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আন্তর্জাতিক চাপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অবশ্যই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরাতেই হবে।

আমি মানবতার পক্ষে। কিন্তু আমার মা, মাটি ও দেশের বিষয়টি সবার আগে। ৬ লাখ রোহিঙ্গার জন্য আমি ১৮ কোটি মানুষকে বিপদে ফেলতে পারি না।

লেখক : সিনিয়র রিপোর্টার, বাংলানিউজ