বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯

বঙ্গবন্ধু : জাদুকরি এক নেতা

মো. নেজাম উদ্দীন নিজাম

প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০১৯ শুক্রবার, ০৬:৫৩ পিএম

বঙ্গবন্ধু : জাদুকরি এক নেতা

হাজার নয়,লক্ষ নয়,কোটি কোটি বার শুনতে ইচ্ছে করে যতোবার শুনি ততোবার শুনতে ইচ্ছে করে বাঙালির হৃদয়ের রাজা, রাজনীতির কবি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের সেই ভাষণ।

যতোবার শুনি ততোবার অশ্রুজলে সিক্ত হয় চোখ।যখন শুনি জনকের কন্ঠে কবিতার সুরে ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম-মনের অজান্তেই দেহ-মনে শিহরণ তৈরি হয়।  

৭ মার্চ দিনটিতে জনকের সেই অমর বক্তৃতার মাধ্যমে উঠে এসেছিলো ৭ কোটি বাঙালীর প্রাণের কথা, অধিকারেরর কথা,  মুক্তির কথা, স্বাধীনতার কথা। সেইদিন ৭ কোটি বাঙালী গেয়েছিলো নেতা মুজিবের কন্ঠে মুক্তির গান। হাতে লাঠি কন্ঠে স্লোগানের মাধ্যমে ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে নারী,পুরূষ সকলে মিলে কাঁপিয়ে ছিলো শাসক গোষ্ঠীর গদি।

১৮ মিনিটের একটি বক্তৃতা পাল্টে দিয়েছিলো সমগ্র দেশ।রব উঠেছিলো স্লোগানে , বীর বাঙালী অস্ত্র ধর বাংলাদেশ স্বাধীন কর, বাশের লাঠি তৈরি কর বাংলাদেশ স্বাধীন কর। আমি কে তুমি কে বাঙালী বাঙালী। পদ্মা মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠিকানা। তোমার দেশ আমার দেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ। আমার নেতা তোমার নেতা, শেখ মুজিব শেখ মুজিব।

সেই ৭ মার্চ রাজনীতির কবি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি , জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি মুক্তির সনদ অমর সে ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের করে দিয়েছিলেন। তার এ বক্তৃতার মাধ্যমে পথ দেখিয়ে দিয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষদের।

৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৫৪’র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন ৬৬’র ৬ দফা , ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান ৭০’র নির্বাচনে বিজয়, পরবর্তীতে স্বাধীনতার ঘোষণা,মুক্তিযুদ্ধে বিজয় বাংলাদেশ সব কিছুতেই নেতা মুজিবের দূরদৃষ্টি ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বগুণে বীর বাঙালী পেয়েছে একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট।

আমরা গর্বিত এমন নেতার দেশে আমাদের জন্ম । সেই নেতার হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আমি একজন কর্মী। যে সংগঠন ৫২,৫৪,৬২,৬৬,৬৯,৭০,এবং ৭১ এ বাঙালির ক্রান্তিকালে যুগিয়েছে সাহস।  অগ্রভাগে থেকে দিয়েছে নেতৃত্ব দিয়েছে যে সংগঠন, আমি সেই সংগঠনের কর্মী। আমি পিতা মুজিবের আদর্শের সেনিক। এটিই হোক আমার বড় পরিচয়।

মো. নেজাম উদ্দীন নিজাম: সভাপতি,পটিয়া উপজেলা স্টুডেন্টস ফোরাম।