রোববার, ৩১ মে ২০২০

ঈদের আগে সীমিত আকারে খুলবে দোকানপাট : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রকাশিত: ০৪ মে ২০২০ সোমবার, ০১:০২ পিএম

ঈদের আগে সীমিত আকারে খুলবে দোকানপাট : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঈদের কেনাকাটার জন্য দোকানপাট সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলা পর্যায়ে দোকানপাট খোলা রাখার বিষয়ে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, `দোকানপাট খুলে দেয়া হলেও সবাই জনসমাগমের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে` 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ায় কিছু কিছু দোকান ইতোমধ্যে খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদ-উল-ফিতর এর আগে স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করার সাপেক্ষে দোকান ও ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। কিন্তু একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, খুব বেশি মানুষ একসাথে জড়ো হওয়া বা জনসমাগম থেকে সবাইকে মুক্ত থাকতে হবে।”

মন্ত্রিপরিষদ থেকে শিগগিরই এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, জেলাভিত্তিক ক্ষুদ্রশিল্প রয়েছে সেগুলো চালুর নির্দেশনা দিয়েছে। মানুষকে সুরক্ষিত রেখে আমাদের অর্থনীতি যাতে গতিশীল থাকে সেভাবে পরিচালিত হতে পারে তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

সোমবার (৪ মে) সকালে গণভবন থেকে রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘ইতোমধ্যে আমরা ছুটি ১৫ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির চাকা যেন সুরক্ষিত থাকে, মানুষকে একেবারে ঘরে বন্দি না করে সীমিত অবস্থায় জরুরি কিছু কিছু কাজ চলতে হবে। যাতে মানুষের কষ্ট না হয়। ঈদের আগে যদিও বড় জমায়েত করা যাবে না। সবাই যার যার মতো দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’  সবাইকে জরুরি কারণ ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘হাঁচি-কাশি থেকে রক্ষা পেতে সবাই মাস্ক পরবেন। নিজেকে রক্ষা করবেন। অপরকেও রক্ষা করবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে রংপুর বিভাগ একসময় মঙ্গাপীড়িত এলাকা ছিল, সেই রংপুর বিভাগ এখন সবুজে পরিণত হয়েছে। প্রত্যেকটা জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য উৎপাদন হচ্ছে। সে ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি।

বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে রংপুর বিভাগের রংপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ ভিডিও কনফারেন্স শুরু হয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ছয় ধাপে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোর জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করেছেন।