বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯

শোকের মাস আগস্ট

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ০৯:০৮ এএম

শোকের মাস আগস্ট

শুরু হলো শোকের মাস আগস্ট। এই মাসেই বাঙালি হারিয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সামরিক জান্তাদের হাতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আরও প্রাণ হারান তাঁর সহধর্মিণী, তিন ছেলে ও দুই পুত্রবধূ। প্রবাসে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। নির্মম সেই হত্যাযজ্ঞে আরও নিহত হন বঙ্গবন্ধুর ৯ আত্মীয়। শেখ মুজিবুর রহমানের কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তাও শহীদ হন।

দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

মাত্র ৫৫ বছরের জীবনেই রাজনীতির মহাকাব্য রচনা করে গেছেন বঙ্গবন্ধু। যৌবনের ১৩টি বছর কাটিয়েছেন জেলে। লক্ষ্য ছিল বাঙালির সার্বিক মুক্তি। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠনেও বঙ্গবন্ধু ছিলেন দূরদর্শী। ক্রমেই তিনি হয়ে উঠেন বিশ্ব নেতা।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় যারা ক্ষমতায় আসে তাদেরই নানা স্রোত দেশ শাসন করে পরের ২১ বছর। ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করে আওয়ামী লীগ সরকার। তবে, ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। হত্যা মামলার রায় যেন বাস্তবায়ন করা না যায় সেজন্য একদিকে উচ্চ আদালতকে ঘিরে ষড়যন্ত্র চলে। অন্যদিকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানো হয় শেখ হাসিনার জনসভায়। অল্পের জন্য শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মী নিহত হন।

পরের বছর ১৭ আগস্ট বাংলাদেশের ৬৩টি জেলার ৪শ ৩৪টি স্থানে একযোগে বোমা হামলা চালায় জেএমবি। সেটাও ছিল বাংলাদেশকে উল্টোপথে নিয়ে যাবার আরেক ষড়যন্ত্র যার বিরুদ্ধে এখনও সরকারকে সংগ্রাম করে যেতে হচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলছে, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। সেই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জাতির জনককে হারানোর আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিণত করার আহ্বান তাদের।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন মাসজুড়ে নানা কর্মসূচি পালন করবে।