বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯

দেবি শেঠির নারায়নার আদলে হচ্ছে চট্টগ্রামের ইমপেরিয়াল হাসপাতাল

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল ২০১৯ সোমবার, ১১:২০ পিএম

দেবি শেঠির নারায়নার আদলে হচ্ছে চট্টগ্রামের ইমপেরিয়াল হাসপাতাল

চিকিৎসা সেবায় চট্টগ্রামবাসীকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে চালু হচ্ছে ৩৭৫ শয্যার ইমপেরিয়াল হাসপাতাল। ২০ এপ্রিল থেকে এ হাসপাতালের বহির্বিভাগে সেবা চালু হবে। বহির্বিভাগে সেবা চালুর এক মাসের মধ্যে হাসপাতালের সব কার্যক্রম শুরু হবে।

নগরীর পাহাড়তলীতে প্রায় সাত একর জমির উপর সাড়ে ছয় লাখ বর্গফুটের পাঁচটি ভবনে এই জেনারেল হাসপাতালটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

এখানে রয়েছে নার্সেস এবং টেকনিশিয়ান প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। উন্নতমানের সার্বক্ষণিক জরুরি সেবা এবং ১৪টি মডিউলার অপারেশান থিয়েটার। রয়েছে ১৬টি নার্স স্টেশন ও ৬২টি কনস্যালটেন্ট রুমের বহির্বিভাগ। বিশ্বমানের ৬৪টি ক্রিটিকাল কেয়ার বেড (আইসিইউ ও সিসিইউ) বেড এ হাসপাতালে সংযুক্ত করা হয়েছে। রয়েছে নবজাতকদের জন্য ৪৪ বেডের নিওনেটাল ইউনিট ও ৮টি পেডিয়াট্রিক আইসিইউ।’

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি সংস্থা এ হাসপাতালের মূল নকশা প্রণয়ন করেছে। হাসপাতালে রয়েছে হেলিপ্যাড। যে কোনো স্থান থেকে হেলিকপ্টার যোগে রোগীকে হাসপাতালে আনা যাবে। একটি ইউরোপিয়ান কনস্যালটেন্ট গ্রুপ এ হাসপাতাল তৈরিতে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করেছে।’
‘সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ (ইনফেকশান কন্ট্রোল), রোগীদের নিরাপত্তা এবং কর্মীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে এ হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে।’

ডা. রবিউল হোসেন আরও বলেন, ভারতের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবি শেঠির প্রতিষ্ঠান নারায়ণা হেলথ ও ইমপেরিয়াল যৌথভাবে হাসপাতালের কার্ডিয়াক সেন্টার পরিচালনা করবে। রোগী ও স্বজনদের জন্য হাসপাতালের পাশে থাকার ব্যবস্থা ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ শয্যা সংরক্ষিত আছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে উন্নতমানের স্বাস্থ্য সেবার অপ্রতুলতার কারণে বহু সংখ্যক রোগী বিদেশে যেতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে তাদেরকে আর্থিক, শারীরিক এবং মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়। এ অবস্থা থেকে কিছুটা পরিত্রাণের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ট্রাস্ট একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইমপেরিয়াল হাসপাতালের বোর্ড মেম্বার ও সিইআইটিসি ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান এমএ মালেক, আমজাদুল ফেরদৌস চৌধুরী, পরিচালক সেলিম আহমেদ, হাসপাতালের এক্সিউটিভ ম্যানেজার রিয়াজ হোসেন, কমিশনিং কনসালটেন্ট এডলি হ্যানসেন, ম্যানেজার (মার্কেটিং এন্ড পাবলিক রিলেশন) শেখ আবদুস সালাম প্রমূখ।