বুধবার, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯

ভূমিমন্ত্রীর হাত ঘুরে একটি পরিবারের সুখের ঠিকানা

প্রতিনিধি, আনোয়ারা

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার, ১১:০৬ পিএম

ভূমিমন্ত্রীর হাত ঘুরে একটি পরিবারের সুখের ঠিকানা

আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর গ্রামে দুরারোগ্য ক্যান্সারে মারা যাওয়া হতিদরিদ্র মোহাম্মদ এখলাসের পাশে দাঁড়িয়েছে রোটারী ক্লাব মেট্রোপলিটন  চট্রগ্রাম।

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের সুপারিশে অগ্রাধিকার  প্রকল্পের আওতায় এখলাসের পরিবারকে একটি রিক্সা, ঘরের ছাউনির জন্য টিন ও মেয়ের এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়ার সমস্ত দায়িত্ব নেয় রোটারি ক্লাব।

শুক্রবার ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ হাইলধর গ্রামে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এখলাসের স্ত্রী বুলূ আকতারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে রিক্সাটি হস্তান্তর করেন। এ সময় ভূমিমন্ত্রীর এপিএস রিদোয়ানুল করিম চৌধুরী সায়েম ও রোটারি ক্লাবের এসিস্ট্যান্ট গভর্ণর ওয়াহিদ উজ্জামান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

আর্তমানবতার সেবায় বিশ্বজুড়ে কাজ করছে রোটারি ক্লাব।  তাদের শাখা সংগঠন রোটারী ক্লাব মেট্রপলিটন চট্রগ্রাম ১৯৮৫ সালে প্রতিস্টালগ্ন থেকে মানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছে।  এর  ধারাবাহিকতায় এ বছর রোটারী জেলা গভর্নরের প্রাইওরিটি প্রজেক্টের আওতায় ক্যান্সার আক্রন্ত মরহুম এখলাসের সহধর্মিণী বুলু আকতারকে একটি নতুন রিক্সা প্রদান করা হয়। এই রিক্সা ভাড়া দিয়ে তা থেকে অর্জিত আয়ে তাদের পরিবারের দৈনন্দিন খরচ মেটানো সম্ভব হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া ঘরের ছাউনির জন্য টিন হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে রোটারী জেলা গভর্নরের শিক্ষা সংক্রান্ত অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় মরহুম  এখলাসের ১১ বছর বয়সি চতুর্থ শ্রেণীর পড়ুয়া মেয়ে আফরিনা সুলতানার এইচএস সি পর্যন্ত পড়ালেখার দায়িত্ব নেওয়া হয়।

রোটারি ক্লাবের এসিস্ট্যান্ট গভর্ণর ওয়াহিদ উজ্জামান চৌধুরী বলেন, রোটারী ক্লাব অব মেট্রোপলিটন চিটাগং মনে করে এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টের মাধ্যমে মরহুম এখলাসের পুরো পরিবার উপকৃত হবে। এভাবে বাংলাদেশের সকল রোটারী ক্লাব এক একটি পরিবারের দায়িত্ব নিলে প্রায় ৩০০ টি পরিবার উপকৃত হবে, সারা পৃথিবীর সব ক্লাব দায়িত্ব নিলে প্রায়  ৩৫ হাজার পরিবার উপকৃত হবে।