বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮

কর্ণফুলীতে গার্মেন্টসকর্মী ধর্ষণ, ৯৯৯ কলে খবর পেল পুলিশ

প্রতিনিধি, কর্ণফুলী

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০১৮ বুধবার, ১০:৩৬ পিএম

কর্ণফুলীতে গার্মেন্টসকর্মী ধর্ষণ, ৯৯৯ কলে খবর পেল পুলিশ

কর্ণফুলীতে মঙ্গলবার রাতে একম গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের শিকার ওই মহিলা পুলিশের ৯৯৯ নম্বরের হেলফ লাইনে ফোন করে বিস্তারিত জানালে কর্ণফুলী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করে। ধর্ষণের শিকার মহিলা এক সন্তানের জননী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের খোয়াজনগর এলাকায় আছিয়া মোতালেব স্কুল পাশে লাউ ক্ষেতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষক মো. সেলিম ও তার সহযোগী মো. সোহেলকে গ্রেফতার করেছে। মো. সেলিম (৩০) চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের খোয়াজনগর গ্রামের মৃত আবুল কালামের পুত্র। সহযোগী সোহেল (২০) একই গ্রামের সেকান্দর আলীর পুত্র।

ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে দুইজনকে আসামী করে কর্ণফুলী থানায় মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষিতা ওই মহিলা উপজেলার বড় উঠান এলাকায় নোভানা গার্মেন্টসে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত আছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিতা গার্মেন্টস কর্মীর বাড়ী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নে। সাত বছর পূর্বে স্থানীয় এক প্রবাসীর সাথে বিয়ে হয়। তাদের সংসার জীবনে তিন বছরের একটি সন্তান  রয়েছে। তবে, ধর্ষিতা গার্মেন্টস কর্মীর সাথে গত তিন বছর ধরে স্বামীর সাথে যোগাযোগ নেই। তিনি চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের খোয়াজনগর এলাকায় নারী গার্মেন্টস কর্মীর সাথে সন্তানকে নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।

গত মঙ্গলবার রাত দশটার দিকে বাপের বাড়ী থেকে নিজ বাসায় যাওয়ার পথে মো. সেলিম জোর পূর্বক লাউ ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ধর্ষিতা সুযোগ পেয়ে ৯৯৯ নাম্বারে কল করে পুলিশের সাহায্য প্রার্থনা করেন। এর মধ্যে আরেক অভিযুক্ত মো. সোহেল এসে ধর্ষিতার পথ রুদ্ধ করে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। এ সময় কর্ণফুলী পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে হাতে নাতে সোহেলকে গ্রেফতার করে। পরে মূল ধর্ষক সেলিমকে তার বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর মাহমুদ বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় মূল ধর্ষক ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্ষিতাকে চমেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।