ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটে দিনভর নাভিশ্বাস

সারাবেলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০১৮ শুক্রবার, ০৯:৩১ পিএম

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটে দিনভর নাভিশ্বাস

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের (কেজিডিসিএল) প্রধান সংযোগস্থলে মেরামত কাজের কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর অনেক বাসাবাড়িতে শুক্রবার দিনভর গ্যাস সরবরাহ মেলেনি। যে কারণে আগুন জ্বলেনি চুলায়। ফলে ছুটির দিনে দুপুরের খাবার ও রান্নাবান্না নিয়ে এক রকম দুর্বিষহ সময় পার করতে হয়েছে সিংহভাগ মানুষ।

কেজিডিসিএল সূত্র জানায়, মেরামত কাজের কারণে শনি ও বোরবার এই দুই দিনও কোন কোন এলাকায় গ্যাস সংকট দেখা দিতে পারে।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মনজুরুল হক বলেন, প্রধান সংযোগস্থলে কাজ চলায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। যেসব জায়গায় গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে পর্যায়ক্রমে সেসব জায়গায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নগরের জামালখান, আসকার দীঘির পাড়, কাজীর দেউড়ি, নিউমার্কেট, হালিশহর ও বহদ্দািরহাটসহ প্রায় জায়গায় কোথাও কিছুটা গ্যাস থাকলেও অনেক জায়গায় একেবারে গ্যাস ছিল না। এ অবস্থায় খাবারের জন্য অনেকে ভিড় করেন রেস্টুরেন্ট ও রাস্তার পাশের খাবারের দোকানে।

অনেকে অভিযোগ করেন, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের পক্ষ থেকে পত্রিকায় প্রচারিত বিজ্ঞাপন অনেকের চোখে পড়েনি। সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা তৈরির প্রস্তুতি নিতে গিয়ে দেখেন গ্যাস নেই। ফলে অনেকে আধাবেলা পর্যন্ত উপোস সময় পার করেন। কোনো কোনো জায়গায় গ্যাসের চাপ কম থাকায় পানি গরম হতে সময় লাগছে প্রায় ঘণ্টা-খানেক। বলা যায়, পুরো চট্টগ্রাম গ্যাস সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

হেমসেন লেইন এলাকার গৃহিনি ফাহমিদা হক বলেন, গ্যাসের চাপ না থাকায় শেষ পর্যন্ত ইলেকট্রিক চুলায় রান্না সারতে হয়েছে।

হালিশহরের বাসিন্দা নাজির আহমদ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,দুপুরের খাবার কিনতে অনেক দোকানে ছুঁটেছি। শেষ পর্যন্ত বেশি করে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, কলা, চিঁড়া-মুড়ি কিনে ঘরে ফিরেছি।

তবে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তারা বলছেন, ফৌজদারহাট থেকে পুরো চট্টগ্রামে প্রধান সংযোগস্থলে কাজ চলছে। তাই তিন দিন এ গ্যাস সংকট দেখা যেতে পারে।