ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮

আনোয়ারায় সংঘর্ষে দুই গ্রামবাসী, আহত ২০

আনোয়ারা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৬ মে ২০১৮ শনিবার, ১১:৪২ পিএম

আনোয়ারায় সংঘর্ষে দুই গ্রামবাসী, আহত ২০

আনোয়ারায় বালি কেনাকে কেন্দ্র শনিবার রাতে বটতলী ও গুন্দ্বীপ দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। দুই গ্রামের শতাধিক লোক ইফতারের পর থেকে লাঠিসোটা নিয়ে দুই ঘন্টা ধরে সংঘর্ষে জড়ায়।

এ সময় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টার ভাংচুর , ব্রিক ফিল্ডের ৭ গাড়িতে ও একটি মোটর সাইকেলে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনলেও এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

রাত ১১ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আনোয়ারা থানা পুলিশ ও স্থানীয় দুই ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বারশত ইউনিয়নের গুন্দ্বীপ গ্রামের জনৈক জহির আহমদ (৩৭) বটতলী হলদিয়া পাড়া শাহ মোহছেন আউলিয়া ব্রিক ফিল্ডের মালিক শামসুল আলমের জামাতা মোহাম্মদ হারুনের কাছ থেকে বালি কেনা বাবদ অগ্রিম টাকা প্রদান করেন। হারুন ব্রিকফিল্ড দেখভাল করতেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বালি সরবরাহ না করায় শুক্রবার স্থানীয় কিছু লোকজন জহির ব্রিকফিল্ডে হারুনের কাছে যান। এ সময় তিনি বালি বাবদ দেয়া অগ্রিম টাকা ফেরত চান। এ নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে জহির আহমদ আহত হন।

দুই পক্ষ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় দুই চেয়ারম্যান বটতলীর অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী ও বারশতের এম এ কাইয়ুম শাহ’র কাছে যান। দুই চেয়ারম্যানই আনোয়ারা থানায় মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন।

এদিকে আইনি ব্যবস্থার পরিবর্তে গতকাল শনিবার ইফতারের পর দুই গ্রামের শতাধিক লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে শাহ্ আলম, জাহাঙ্গীর, আনছার, আবদুর রশিদ, আবদুর ছবুর, মো. সালাম, সামশুল আলম, মো. হারুনসহ অন্তত ২০জন আহত হয়।

আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ বলেন, রাত ১১টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। সংঘর্ষের পর পুলিশের শক্ত অবস্থানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। দুই পক্ষের মারামারির সময় স্থানীয় তালুকদার কমিউনিটি সেন্টাওে ভাংচুর ও শাহ মোহছেন আউলিয়া ব্রিকফিল্ডের ৫টি ট্রলি , ২টি ড্রাম্প ট্রাক ও একটি মোটর সাইকেলে অগ্নি সংযোগ করা হয়।

স্থানীয় বটতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কথা না শুনে তারা সংঘর্ষে জড়িয়েছে।

বারশত ইউপি চেয়ারম্যান এম এ কাইয়ুম শাহ বলেন, সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। বর্তমানে এলাকার সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে।