সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০

কর্ণফুলীতে রাতে দাফন কাজে এগিয়ে এলো গাউছিয়া কমিটি

প্রতিনিধি, আনোয়ারা , চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২০ বুধবার, ০৭:১৮ এএম

কর্ণফুলীতে রাতে দাফন কাজে এগিয়ে এলো গাউছিয়া কমিটি

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে মারা যাওয়া এক ব্যক্তিকে দাফনের লোক না পাওয়া যাচ্ছিলোনা। পরে গাউছিয়া কমিটির লোকজনের তত্ত্বাবধানে ওই ব্যক্তির দাফন হয়েছে। উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের জামালপাড়া এলাকায় সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া ব্যক্তি হলেন ইউনুস মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ আয়ুব আলী (৪৪)। তার পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার বিকেল চারটার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান আইয়ুব আলী। এরপর রাতে তাঁকে গ্রামের বাড়ীতে নিয়ে আসেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু ওই সময় তাঁকে দাফন কাফনের জন্য লোকজন পাওয়া যাচ্ছিলোনা। পরে গাউছিয়া কমিটির লোকজনকে খবর দেওয়া হলে তাঁদের সহায়তায় রাত সাড়ে ১১টায় তাঁকে দাফন কাফন করা হয়।

দাফন কাফনের কাজে অংশ নেন দলনেতা ইমতিয়াজ উদ্দিনের নেতৃত্বে ১১জন। তাঁরা হলেন নজরুল ইসলাম, মো. সুমন, নূর মোস্তফা, নুরুল আক্কাস, নুরুল আবছার, সোলায়মান ফারুকী, আরাফাত হোসেন, দিদারুল ইসলাম, মোহাম্মদ সেলিম ও আব্বাস উদ্দিন। এর আগে গত ৫ জুন কামাল উদ্দিন ও ১৫ জুন আবুল কাশেম নামের দুজনের দাফন কাফনের কাজ করেন স্থানীয় গাউছিয়া কমিটির লোকজন। তাঁরা করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান।

মারা যাওয়া ব্যক্তির পুত্র আরিফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁকে ঘরে আনা হলে দাফনকাজ করার জন্য লোকজন পাওয়া যাচ্ছিলোনা। তখন চাচারা গাউছিয়া কমিটির লোকজনকে খবর দিলে তাঁরা এসে দাফন কাফনের কাজ করে দেন। আরিফুল আরও বলেন, সকাল শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে বিকালে তিনি মারা যান। তবে, বাবার করোনা পরীক্ষা করা হয়নি। গাউছিয়া কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দলনেতা ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, আমাদের খবর দেওয়া হলে রাতে এসে আইয়ুব আলীর দাফন কাফনের কাজ করে দেই। এনিয়ে আমরা উপজেলার তিনজনের দাফন কাফনের কাজ করেছি আমরা।