বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯

জামালখান থেকে আন্দরকিল্লা : ভাঙা পড়ছে শতাধিক ভবন

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার, ০৯:১৯ এএম

জামালখান থেকে আন্দরকিল্লা : ভাঙা পড়ছে শতাধিক ভবন

জামালখান থেকে আন্দরকিল্লা পর্যন্ত তিন কিলোমিটার অংশে অনুমোদিত নকশা অমান্য, খাল-নালার জায়গা দখল করে নির্মিত শতাধিক বহুতল ভবন ভাঙতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এর মধ্যে ছয়তলা থেকে ১৭তলা পর্যন্ত উচ্চতার ভবনও রয়েছে।

জলাবদ্ধতা নিরসন মেগা প্রকল্পের আওতায় নগরজুড়ে খাল উদ্ধার অভিযানে বেরিয়ে আসছে নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণের নানা তথ্য। এর আগে ফিরিঙ্গি বাজার খাল ও মহেশখাল উদ্ধার অভিযানে বেশ কিছু ভবন ভাঙা পড়ে। এবার শহরের ভেতরে টেরিবাজার, আন্দরকিল্লা, জামালখান এলাকার বদরপাতি খাল ও জামালখান খালের উভয়পাড়ে ভবনগুলোতে অভিযান চালাতে যাচ্ছে সিডিএ।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও সিডিএ নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাইনুদ্দিন জানান,  টেরিবাজার থেকে জামালখান পর্যন্ত এই অংশে মারাত্মক অবস্থা দেখা যাচ্ছে। ইচ্ছামত বহুতল ভবন বানানো হয়েছে। ভবন নির্মাণের সময় নকশা মানা হয়নি। অনেক ভবন চলে এসেছে খাল বা নালার উপর। তিনি বলেন, বহুতল ভবনে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ জায়গা খালি রাখার কথা থাকলেও জামালখানে প্রায় ৯৫শতাংশ জায়গাজুড়ে বানানো বহুতল ভবনও রয়েছে।

জানা যায়, জামালখান খালের অংশবিশেষ দখল করে বানানো হয়েছে ইকুইটি প্রপার্টিজের ইকুইটি মিলেনিয়াম নামে বহুতল ভবন। টেরিবাজারে বদরপাতি খালের কিছু অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে ওরিয়ন টাওয়ার নামে ৯তলা ভবন। সোমবার থেকে এসব ভবনের অবৈধ অংশ ভাঙার কাজ শুরু করেছে সিডিএ।

সূত্র জানায়, বদরপাতি খালের আশপাশের ৩৫টি ভবন উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ ভবনই ছয় তলার উপরে। মঙ্গলবার জামালখান এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালানো কথা রয়েছে। আন্দরকিল্লা খলিফাপট্টি থেকে জামালখান স্মরণিকা ক্লাব পর্যন্ত এই উদ্ধার অভিযান চলবে।

সিডিএ সূত্র জানায়, জামালখান খাল ও বদরপাতি খাল দুটি ১৫ থেকে ২০ ফুট চওড়া হতে পারে। বিএস অনুযায়ী খালের জায়গা উদ্ধার করা হচ্ছে। বর্তমানে খাল দুটি কোথাও ৮ ফুট আবার কোথাও ১২ ফুট চওড়া আছে।