বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯

হঠাৎ উত্তাল সাগরে দুর্ঘটনায় ৫ জাহাজ

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ০৮ আগস্ট ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ০৯:০৬ এএম

হঠাৎ উত্তাল সাগরে দুর্ঘটনায় ৫ জাহাজ

হঠাৎ উত্তাল সাগরে এক দিনেই ডুবেছে পাঁচ লাইটারেজ জাহাজ। এসব ঘটনায় ২১ নাবিককে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টার। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ ছিল ৩ নাবিক।

জানা যায়, বুধবার দুপুর থেকে বঙ্গোপসাগরে হঠাৎ বড় বড় ঢেউয়ে টালমাটাল অবস্থায় পড়ে পন্য বোঝাই বেশ কিছু লাইটাইরেজ জাহাজ। বহিনোঙ্গরের বড় বড় জাহাজ থেকে বিভিন্ন ঘাট ও দূরদূরান্তে মালামাল আনলোডে এসব ছোট জাহাজ ব্যবহৃত হয়।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আবুল খায়ের গ্রুপের মালিকানাধীন শাহ সিমেন্টের প্রায় দুই হাজার টন ক্লিংকারবাহী লাইটারেজ জাহাজ এমভি টিটু-১৯ সন্দ্বীপ থেকে ১৮ মাইল দূরে গভীর সাগরে প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে। এটি ঢাকায় যাচ্ছিল। জাহাজের মাস্টার বিপদ আঁচ করতে পেরে কোনমতে চরের কাছে ভিড়ালেও এক পর্যায়ে জাহাজটি ডুবে যায়। এই জাহাজের ১৪ নাবিকের মধ্যে ৪জন উদ্ধার হয়েছে, বাকী ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।

শাহ সিমেন্টের ক্লিংকার বোঝাই এমভি টিটু-১৮ ও এমভি টিটু-১৬ নামে আরো দুটি জাহাজ একইভাবে উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায় বরে জানা গেছে। খবর পেয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ দুর্জয়, শৈবাল, সুরভি ও সোয়াডস ১০ জন নাবিককে উদ্ধার করেছে। শাহ সিমেন্টের লাইটারগুলো ঢাকার মুক্তারপুরে শাহ সিমেন্ট কারখানা ঘাটে যাওয়ার কথা ছিল।

হাতিয়ার কাছে এমভি টপ শিপ নামের অপর একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে। দেশ ট্রেডিংয়ের মালিকানাধীন জাহাজটি চট্টগ্রাম থেকে ডিএপি সার নিয়ে নোয়াপাড়া যাচ্ছিল। এগারশ’ টন ধারণক্ষমতার জাহাজটিতে এক হাজার টনেরও বেশি সার ছিল বলে সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া মিশু মাওয়া নামে একটি লাইটার জাহাজ সাহারাবিকন নামক স্থানে ডুবে যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। তবে জাহাজ দুটির নাবিকদের কাছাকাছি থাকা অন্য জাহাজের নাবিকরা উদ্ধার করেছেন বলে জানা গেছে।