শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বেড়েছে পাসের হার কমেছে জিপিএ ৫

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ০৬ মে ২০১৯ সোমবার, ০১:৩৫ পিএম

বেড়েছে পাসের হার কমেছে জিপিএ ৫

২০১৯ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জএই হিসাবে পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা।

সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন। এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। গতবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২০ লাখ ২৬ হাজার ৫৭৪ জন, পাস করে ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ জন।

গতবছর এ পরীক্ষায় ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন। সেই হিসাবে এবার পাসের হার বেড়েছে দশমিক ৪ শতাংশ ৪৩। তবে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫ হাজার ৩৫ জন। ২০১৭ সালে ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান,  ‘আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৩ ও কারিগরি বোর্ডে ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ।’
বিদেশ কেন্দ্রে পাসের হার ৯১ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এ ছাড়া এবার ২ হাজার ৫৮৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে এবং ১০৭টি প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি বলেও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

গত কয়েক বছরের মতো এবারও এসএসসিতে পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বরাবরের মতো শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে ২৯ হাজার ৬৮৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এবার এসএসসিতে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ মার্চ শেষ হয়েছে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হয় এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৬ মার্চ।

এবার এই পরীক্ষায় ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র।