বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯

কর্ণফুলীতে ‘মোটু-পাতলু’র প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

প্রতিনিধি, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম)

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ১০:৪৮ পিএম

কর্ণফুলীতে ‘মোটু-পাতলু’র প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

চট্টগ্রাম কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগরে কারিনা নামে (ছদ্ম নাম) দশ বছরের এক কিশোরীকে টিভিতে মোটু পাতলু দেখার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষিত কিশোরী স্থানীয় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী বলে জানা যায়।

সোমবার (৭ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় মেয়ের মা বাদী হয়ে ঘটনায় জড়িত নেজাম উদ্দিন (৪৮) নামে একজনকে আসামী করে কর্ণফুলী থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত নেজাম বিবাহিত ও রাজমেস্ত্রীর কাজ করে বলে জানা যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ইছানগর ৮নং লামারপাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় ৯ (১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-১৬) দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে ওসির নির্দেশে পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

ধর্ষিতার মায়ের ভাষ্য ও মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারী দুপুর ২.৩০মিনিটের সময় কারিনা (১০) নিজ বাড়ির সামনে তার কয়েকজন স্কুল বান্ধবীর সাথে খেলা করছিলো। এমন সময় অভিযুক্ত রাজমেস্ত্রী নেজাম উদ্দিন কারিনাকে চকলেট ও টেলিভিশনে ‘মোটু পাতল’ু কার্টুন দেখার প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাসায় নিয়ে যান। নেজামের বউ স্থানীয় এক গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে চাকরি করে। ঘটনার সময় ঘরে কেউ ছিলেন না। এ সুযোগে আসামি ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে কিশোরীকে জোর পুর্বক ধর্ষণ করে। কাউকে না বলতে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলে জানা যায়।

থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কিশোরীকে মেডিকেল পরীক্ষা ও ২২ ধারায় জবানবন্দি নথিভুক্ত করা হয়।

এ প্রসঙ্গে মামলার দায়িত্বরত তদন্ত কর্মকর্তা কর্ণফুলী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় আসামীকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা নেওয়া হয়েছে।’