বুধবার, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯

চট্টগ্রামে নেই অধিকাংশ প্রার্থীর এজেন্ট

প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ রবিবার, ১০:২৯ এএম

চট্টগ্রামে নেই অধিকাংশ প্রার্থীর এজেন্ট

চট্টগ্রামে ভোট শুরুর পর দুই ঘন্টা ধরে চট্টগ্রাম নগরীর কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে সেখানে বিএনপিসহ বেশিরভাগ প্রার্থীর এজেন্ট দেখা যায়নি। বিএনপির পক্ষ থেকে এজেন্টদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ আসলেও কেন্দ্রে গিয়ে জানা গেছে এসব প্রার্থীর এজেন্টরা কেন্দ্রেই আসেনি।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া), চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলি) চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা)আসনে সকাল থেকে ঘুরছেন কয়েকজন সাংবাদিক। তারা জানেন কেন্দ্রে গিয়ে তারা বিএনপিসহ বেশিরভাগ দলের এজেন্টকে পাননি। সকাল থেকে তারা অনুপস্থিত ছিল বলে তারা জানতে পেরেছেন।

বিএনপি প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন তাদের এজেন্টদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ভয়ভীতির কারণে অনেকে কেন্দ্র যেতে পারেননি। ভোটের আগের রাতে চট্টগ্রাম-১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমানের বাসা থেকে বের হওয়ার সময় পোলিং এজেন্টসহ ৯ জনকে আটক করা হয বলে অভিযোগ বিএনপির।   

তবে চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সাধারণ ভোটার ওবায়দুল কাদের রিয়াদ বলেন, তার এলাকায় বিএনপির এজেন্টকে দেখা দূরে থাক, প্রচারণায় তারা বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজামকেও দেখেননি।মাত্র দুই দিন প্রচার চালিয়ে তিনি গা ঢাকা দেন। যে কারণে তাদের কর্মী-সমর্থকরাও এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন না।

কয়েকটি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপির পক্ষ থেকে কোন প্রিসাইডিং অফিসারের তালিকাও তাদের দেওয়া হয়নি। সাধারণত ভোট শুরুর ৩০ মিনিট আগে প্রার্থীর পক্ষ থেকে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে পোলিং এজেন্টের নামের তালিকা জমা দেওয়া হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন রাজধানীর বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। রোববার সকাল পৌনে ৯টায় স্ত্রী হামিদা হোসেন ও মেয়ে সারা হোসেনকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দেন তিনি। ভোট প্রদানের পর এজেন্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখানে এজেন্ট আছে। তবে বাইরে অনেক জায়গায় আমরা এজেন্ট দিতে পারিনি। অনেক জায়গা থেকে খবর পাচ্ছি আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি দাবি করব এর তদন্ত হোক।’