ঢাকা, শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮

পিতার ৪ পদে মহিউদ্দিনপুত্র নওফেল

সারাবেলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জানুয়ারি ২০১৮ মঙ্গলবার, ০৯:১৩ এএম

পিতার ৪ পদে মহিউদ্দিনপুত্র নওফেল

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর পর মাঠে ময়দানে ব্যস্থ সময় পার করছেন পুত্র ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।ইতিমধ্যে পিতা মহিউদ্দিনের দায়িত্ব পালন করা সংগঠনগুলোর হাল ধরতে শুরু করেছেন নওফেল। বিজয় মেলা কমিটি, গরীবুল্লাহ শাহ মাজার কমিটি, চকবাজার অলি খাঁ মসজিদ, আগ্রাবাদ খাজা আজমেরি স্কুলে পিতার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি।

তবে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ প্রসঙ্গে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, এখানে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক আছেন। তাঁরা দায়িত্ব পালন করবেন। চট্টগ্রাম আওয়ামীলীগের কাজগুলো চট্টগ্রামের নেতারা করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন যে দায়িত্ব দেবেন তা সুচারুভাবে পালন করে যাব।

সূত্র জানায়, মহিউদ্দিনপুত্র নওফেল বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। যুক্ত হচ্ছেন নানা সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা কমিটি ইতিমধ্যে তাকে তার পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছে। তাকে কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন তাঁর পিতা বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী। বিজয় মেলা অনুষ্ঠানের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি ও তার পরিবার সবসময় বিজয় মেলার পাশে থাকবেন বলে ঘোষণা দেন।

আগ্রাবাদ খাজা আজমেরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্বও তাকে দেয়া হয়েছে। এই বিদ্যালয়ের সভাপতিছিলেন তার মরহুম পিতা। এছাড়া তাকে হযরত গরীবুল্লাহ শাহ মাজারের প্রধান মোতোয়াল্লীর দায়িত্ব দিয়েছেমাজার পরিচালনা কমিটি। এখানেও প্রধান মোতোয়াল্লী ছিলেন মহিউদ্দীন চৌধুরী। মোতোয়াল্লীর দায়িত্ব পড়েছেচকবাজারস্থ নবাব ওয়ালিবেগ খাঁ জামে মসজিদেরও। প্রিমিয়ার বিশ্¦বিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী যে ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেছিলেন তার সদস্য হিসেবে দেখাশোনা করছেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়েরও। প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাথে বিরোধ চলে আসছে।

নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর আওয়ামীলীগের সদস্য ব্যারিস্টার নওফেল কোতোয়ালী আসনে নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে বছরখানেক ধরে বাকলিয়া এলাকায় সভা–সমাবেশ করছেন। এলাকাবাসীর দুঃখ–দুর্দশার কথা তিনি শুনেছেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলে তাদের সমস্যার সমাধান করে দেবেন।

মূলত ওই আসনকেন্দ্রিক বেশিরভাগরাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন।  সম্প্রতি সোনালী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড এবং স্থানীয় এলাকাবাসী আলহাজ এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর শোক সভার আয়োজন করে। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নওফেল।  এই আড়তটি নিয়ে নগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে এবি এম মহিউদ্দীন চৌধুরীর চরম বিরোধ ছিল।