ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮

আনোয়ারায় দক্ষিণ বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আনোয়ারা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২ মে ২০১৮ শনিবার, ১০:২৬ পিএম

আনোয়ারায় দক্ষিণ বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আনোয়ারা উপজেলার দক্ষিণ বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ভাল ফলাফলের পাশাপাশি ভাল মানুষ হতে হবে। তবেই দেশ এগিয়ে যাবে। শনিবার দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন দৈনিক আজাদীর বার্তা সম্পাদক এ.কে.এম জহুরুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষক প্রশিক্ষক সামশুদ্দীন শিশির, বিশেষ আলোচক পরিবেশবীদ স.ম বখতিয়ার, সূচনা বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রকৃতি রঞ্জন দত্ত, অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফরিদ উদ্দীন চৌধুরী, এম.এ রশিদ, জসিম উদ্দীন, প্রকৌশলী রাম চন্দ্র দাশ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাধারন সম্পাদক মো. মহিউদ্দীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দৈনিক আজাদীর বার্তা সম্পাদক এ.কে.এম জহুরুল ইসলাম বলেন, আনোয়ারায় শিল্প জোন খ্যাত দক্ষিণ বন্দর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত অত্র বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষার ভালো ফলাফলের মাধ্যমে যে কৃতিত্ব দেখিয়েছে তা সত্যি প্রশংসনীয়। বর্তমান দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনা করলে দেখা যায় শিক্ষিত যুবক সমাজ নানা অপরাধে নিজেদের জড়িয়ে ফেলেছে। এটি পুরো জাতিকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাই ভালো ফলাফল করলে চলবে না নিজেদের আদর্শবান ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদের আরো বেশি সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে নানা বৈষম্য দূর করতে হবে। সবস্থলে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নীতি ও নৈতিকর্তার র্চ্ছা করতে হবে।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী চৌধুরীর হাত ধরে এ এলাকায় যে আলোর প্রদীপ জ্বালানো হয়েছে তাঁর মাধ্যমে পুরো এলাকা আলোকিত হবে এ প্রত্যাশা।

বিশেষ অতিথি সামশুদ্দীন শিশির বলেন, দক্ষিণ বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে এসেছি। তোমরা প্রমান করলে চেষ্টা, শ্রম, অনুশীলন বিফলে যায় না। ছোট বনেও বাঘ থাকে। মাত্র পাঁচ বয়সী একটি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থী, পরিচালনা পরির্ষ, অভিভাবক ইতিবাটক চিন্তা করলে ছোট জায়গা থেকেও বড় কিছু পাওয়া যায় এটি তারিই প্রমান।

পরিবেশবীদ স.ম বখতিয়ার বলেন, এ বিদ্যালয়ে গরিব-মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়া লেখার দায়িত্ব বিদ্যালয়ের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী চৌধুরী গ্রহন করবেন এই আমার প্রত্যাশা। তাঁর সাথে আমার সহযোগিতাও অব্যহত থাকবে।

সভাপতি বক্তব্যে লিয়াকত আলী চৌধুরী বলেন, আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আগলে ধরে বেঁচে থাকতে চাই। শিক্ষার্থীদের জন্য আমার সব ধরণের সহযোগিতা অব্যহত থাকবে। অনুষ্ঠানে জি.পি.এ-৫ অর্জনকারী ৪ শিক্ষার্থী ছাড়াও শিক্ষক, অভিভাবকরা বক্তব্য রাখেন।