ঢাকা, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭

বিয়ের ৭ মাসেই শান্তার ঝুলন্ত লাশ

সীতাকুন্ড প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০১৭ সোমবার, ০৭:৪৩ এএম

বিয়ের ৭ মাসেই শান্তার ঝুলন্ত লাশ

সীতাকুণ্ডের বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াইল এলাকার শ্বশুর বাড়ি থেকে শান্তা নাগ নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী সাজুকে আটক করেছে । রোববার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

শান্তা নাগের মা-বাবার দাবি শ্বশুরবাড়ির লোকজন শান্তা নাগকে হত্যা করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দিয়েছে। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি শান্তা নাগ আত্মহত্যা করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, সাত মাস আগে মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ছোট কমলদহ এলাকার সঞ্জয় নাগের মেয়ে শান্তা নাগের সঙ্গে বিয়ে হয় পাশের উপজেলা সীতাকুণ্ডের বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াইল এলাকার সাজুর সঙ্গে।

বিভিন্ন কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজন শান্তাকে নির্যাতন করতো বলে অভিযোগ তার বাবা মায়ের। রোববার সকালে শান্তা আত্মহত্যা করেছে এমন খবর পেয়ে শান্তার মা বাবা ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পান মেয়ের মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে শান্তার স্বামী সাজুকে গ্রেফতার করে।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হাসান বলেন, ‘আমরা ঝুলন্ত অবস্থায় শান্তা নাগ নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছি। শান্তা নাগের বাবা মা বলছেন তাকে হত্যা করে মরদেহ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলছেন শান্তা আত্মহত্যা করেছেন। আমরা আসল ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য শান্তার মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মূল ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারবো।’