AD
ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭

পটিয়ায় ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে পাকড়াও

পটিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০১৭ বৃহস্পতিবার, ১০:২৮ পিএম
পটিয়ায় ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে পাকড়াও

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া কুসুমপুরা বিনানিহারা এলাকায় ছিনতাইকালে জনতার সহযোগিতায় মো. আলমগীর(২৮) নামের এক ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে পাকড়াও করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়। আলমগীর কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা দিয়ার বাড়ি এলাকার মৃত আমির আহমদের ছেলে।

এ ব্যাপারে ছিনতাইয়ের কবলে পড়া নজরুল ইসলাম মজুমদার বাদী হয়ে পটিয়া থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক দুই ছিনতাইকারী সদস্যকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জুলাই সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া জঙ্গলখাইন পাইরোল শাহ আমানত ফিলিং ষ্টেশন এলাকায় একটি বিআরটিসি পরিবহনের দোতলা বাস উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে প্রায় তিন ঘন্টা মহাসড়ক যানজটের সৃষ্টি হয়।
চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী এলাকার নজরুল ইসলাম মজুমদার দম্পতি সমুদ্র ভ্রমন শেষে ৪ জুলাই রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে ফিরছিলেন। দূর্ঘটনায় যানজটে পড়ে গেলে নজরুল ইসলাম দম্পত্তি কিছু দূর গিয়ে একটি লোকাল সিএনজি করে রওনা দেয়। সিএনজি কিছু দূর না যেতেই দু চালকের দু পাশে দুই ছিনতাইকারী উঠে।

মহাসড়কের পটিয়া কুসুমপরা বিনানিহারা এলাকায় ওই দম্পতি পৌঁছলে কুসুমপুরা স্থানীয় মনসা গ্রামের রহমান উকিলের বাড়ি এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে আবুল বশর প্রকাশ হাসান(২৪) ও কর্ণফুলী চরলক্ষ্যা শাহ আলম মেম্বারের বাড়ি এলাকার মো. ইছহাকের ছেলে মো. ইদ্রিস (৩২) এবং সিএনজি চালক মো. আলমগীরসহ তিনজনের ছিনতাইকারী চক্রের দল নজরুল ইসলাম দম্পত্তিকে ছুরি ধরে দিয়ে জিম্মি করে রাখে।

এক পর্যায়ে ছিন ছিনতাইকারী দম্পত্তির নগদ ১৫ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল সেট ছিনতাই করে দুজন পালিয়ে গেলেও সিএনজি চালক ও ছিনতাইকারী সদস্য মো. আলমগীরকে স্থানীয়রা গণপিটুনি দেয়। পরে খবর পেয়ে পটিয়া পুলিশ একই দিন রাতে আলমগীরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। গত ৫ জুলাই নজরুল ইসলাম মজুমদার বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হলে বৃহস্পতিবার মো. আলমগীরকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

এব্যাপারে পটিয়া থানার এসআই মংছাই মার্মা জানান, আলমগীরসহ তিনজনের মিলে দম্পতিকে ছিনতাইকালে আলমগীরকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করা হয়। পরে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হলে আলমগীরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। বাকি দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।